Friday, August 7, 2026

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ওষুধ বিক্রির অনিয়মসহ মিলল নানা অভিযোগের প্রমাণ

অনিয়মের অভিযোগে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে সোমবার (২৬ মে) অভিযান পরিচালনা করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা। এসময় অনিয়মিত অফিস করা, অবৈধভাবে সরকারি ওষুধ বিক্রিসহ নানা অনিয়মের প্রমাণ পান কর্মকর্তারা। অভিযান শেষে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় সিলেটের সহকারী পরিচালক জুয়েল মজুমদার দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য গণমাধ্যমকে জানান।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, – হাসপাতালের অফিসপ্রধান থেকে শুরু করে নিম্নপদস্থ কর্মচারীরা নিয়মিত অফিস করেন না। হয় অনুপস্থিত থাকেন বা দেরিতে আসেন । এছাড়া বেসরকারি ফার্মেসিতে বিক্রয় হয় সরকারি ওষুধ। ডিসপেনসারিতে রোগীদের দেওয়া ওষুধের স্লিপে ডাক্তারের নাম, পদবি ও সিল না থাকা, রেজিস্ট্রার খাতায় ও স্টোররুমে থাকা ওষুধের গরমিল পাওয়া গেছে।

দুদকের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে কয়েক ঘণ্টা যাচাই-বাছাইকালে বিগত সময়ের সব দরপত্রের কাগজপত্র চাওয়া হলেও হাসপাতালের কর্মকর্তারা তত্ত্বাবধায়ক না থাকায় এসব কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। এছাড়াও মে মাসের আগের ওষুধ কেনার কাগজপত্র দেখাতে পারেননি হাসপাতালে কর্মকর্তারা। দুদক কর্মকর্তারা জানান, সবকিছুই হাসপাতালের সাবেক স্টোরকিপার সোলেমান গায়েব করে ফেলেছে।

সহকারী পরিচালক জুয়েল মজুমদার বলেন, ‘আমরা অনিয়মের অনেক কাগজপত্র সংগ্রহ করেছি। এই কাগজপত্র এবং রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা.বিষ্ণু প্রসাদ চন্দ বলেন, দুদক টিমের সদস্যরা খাদ্যের মান পরীক্ষা করেন, ডিসপেনসারিতে ওষুধপত্রের মান যাচাই করেন ও রেজিস্ট্রার খাতা পর্যালোচনা করেন। তারা ওষুধের রেজিস্ট্রার খাতা, বিভিন্ন নথিপত্র নিয়ে গেছেন। এগুলো পর্যালোচনা করে দেখবেন । সেবার মান আরো উন্নত করার পরামর্শ দিয়েছেন । তবে অনিয়মের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

 

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ