শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬

অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে ঘু’ষ লেনদেনের অ’ভিযোগ, আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন ও মামলার কার্যক্রম প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো প্রমাণিত সিদ্ধান্ত বা সরকারি তদন্তের ফল প্রকাশ হয়নি।

অভিযোগকারী মো. ফিরোজপুর রহমান ফিরোজ, যিনি রাজধানীর ফুলবাড়িয়া জাকের সুপার মার্কেটের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। গত ৭ মে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বরাবর তিনি এ আবেদন করেন। আবেদনের অনুলিপি প্রধান বিচারপতির কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

লিখিত আবেদনে অভিযোগ করা হয়, ফুলবাড়িয়া জাকের সুপার মার্কেটের দোকান মালিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট তিনটি রিভিউ পিটিশনের কার্যক্রম প্রভাবিত করা এবং শুনানি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেনের একটি মৌখিক চুক্তি হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, এ চুক্তির পরিমাণ ৫০ কোটি টাকা এবং এর অংশ হিসেবে ১০ লাখ টাকা অগ্রিম পরিশোধ করা হয়েছে।

আবেদনে আরও দাবি করা হয়, সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন কয়েকটি রিভিউ পিটিশনের (নম্বর ৩৫১/২০২৬, ৩৫২/২০২৬ ও ৩৫৩/২০২৬) শুনানির ক্রম ও অগ্রগতি প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি বাকি অর্থ পরিশোধের জন্য বিভিন্ন ধরনের চাপ ও হুমকির অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।

অভিযোগকারী তার আবেদনে অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনা, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আবেদনটি পর্যালোচনার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ছাড়া এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, অভিযোগগুলো বর্তমানে আবেদনকারীর দাবির ভিত্তিতে উত্থাপিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হবে।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ