রবিবার, অক্টোবর 25, 2026

বেতারে ম্যুরালের নামে ৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: ইনু-হাছান মাহমুদসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ বেতারে শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ব্রোঞ্জ ম্যুরাল নির্মাণের নামে প্রায় ৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক দুই তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও হাছান মাহমুদসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ মামলাটি করেন সংস্থার উপসহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান। দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন বেতারের সাবেক দুই মহাপরিচালক এ কে এম নেসার উদ্দিন ভূঁইয়া ও নারায়ণ চন্দ্র শীল, সাবেক জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, উপকেন্দ্র প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুর রহমান, প্রকল্পের স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং প্রকল্প পরিচালক প্রবাল কান্তি দাস।

অভিযোগে যা বলা হয়েছে

মামলার এজাহারের বরাতে জানা যায়, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বেতারের ৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়। পরে ম্যুরাল নির্মাণের কাজটি মূল প্রকল্পে যুক্ত করা হয়। দুদকের দাবি, সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাবের নির্দেশিকা অনুযায়ী কেবল অত্যাবশ্যক অঙ্গ যুক্ত করার সুযোগ থাকলেও ম্যুরালটি সে রকম কোনো অঙ্গ ছিল না।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে দরপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকায় নির্মাণকাজের চুক্তি হয়। ২০২৪ সালের ১২ জুন পর্যন্ত নয় দফায় ঠিকাদারকে মোট ৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়।

দুদক জানায়, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আগারগাঁওয়ে বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন করে কর্মকর্তারা সেখানে ম্যুরালটির কোনো অস্তিত্ব পাননি। ক্ষমতার অপব্যবহার ও পরস্পর যোগসাজশে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

অভিযুক্তদের বক্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি। [সম্পাদকের জন্য: এসিএম অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে এই বাক্যটি রাখুন — “এসিএম অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করছে। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।” না করলে প্রকাশের আগে এই বন্ধনীর অংশটি মুছে ফেলুন।]

মামলা দায়েরের অর্থ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, ১৮ অক্টোবর ২০২৬; দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ