
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই অনুমতি দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই অনুমতি দেন বলে জানান আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।
পলকের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আল-আমিন কারাগারে থাকা আসামি পলককে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন।
২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বিত ঢাকা জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি করেন। মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
মামলার এজহারে বলা হয়, অভিযুক্ত জুনাইদ আহমেদ পলক অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ আট কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪২ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রেখেছেন। একইসঙ্গে নিজ নামে ২৫টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৩২ কোটি চার লাখ ৯৫ হাজার ৩১৪ টাকা জমা এবং ২৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ৯৫ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অস্বাভাবিক লেনদেন করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধ সংঘটন করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেছেন, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক কিভাবে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করলেন এবং তার ব্যাংক হিসাবে বিপুল অংকের টাকা অবৈধ লেনদেন করলেন সে সম্পর্কে রহস্য উদঘাটনের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

