Monday, September 21, 2026

মালয়েশিয়ায় সাড়ে ১৮ হাজার শ্রমিক পাঠিয়ে ৩১৪ কোটি টাকা লুটপাট

মালয়েশিয়া পাঠানোর নামে চুক্তি বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করে মোট ৩১৪ কোটি ৩৪ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে পাঁচ রিক্রুটিং এজেন্সির ২৬ মালিক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাগুলো দায়ের করেছে বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন।

প্রথম মামলার আসামিরা হলেন, জিএমজি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোছা. মনিহার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম মাওলা, পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন, মোজ্জাম্মেল হোসেন, তাসফিয়া মাউন ও ইসলাইল হোসাইন।

ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বায়রার বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনকালে সিন্ডিকেট করে বিএমইটি ও বায়রার রেজিস্ট্রেশনের শর্ত ভঙ্গ করে মালয়েশিয়া পাঠাতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ করেছে। চুক্তি বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করে সরকারের এজেন্ট হিসেবে অবৈধ পারিতোষিক গ্রহণ করে ২ হাজার ৮৩০ জনকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর নামে পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রতি কর্মীর কাছ থেকে নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থসহ মোট ৪৭ কোটি ৪০ লাখ ২৫ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

একই প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় মামলায ৩ হাজার ২৩৯ জন মালয়েশিয়ায় পাঠানো কর্মীর নিকট থেকে পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থসহ ৫৪ কোটি ২৫ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় দি জিএমজি এসোশিয়েট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন, পরিচালক আব্দুর রহিম, ওয়ালিদ হোসাইন হারুন, নরুল আমিন, মো. গোলাম মাওলা, ইসলাইল হোসাইন ও তাসফিয়া মাউদকে আসামি করা হয়েছে। যেখানে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ করে দণ্ডবিধির ১২০(বি)/১৬১/১৬২/১৬৩/১৬৪/১৬৫(ক)/৪২০/৪০৯ ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অপরাধ করার অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ