শনিবার, মে ২, ২০২৬

পদ্মা অয়েলে সনদ-স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ: বহাল তবিয়তে অভিযুক্ত কর্মকর্তা

রাষ্ট্রায়ত্ত পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডে সনদ ও স্বাক্ষর জালিয়াতির মতো গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন এক কর্মকর্তা। আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে। তারপরও গুরুত্বপূর্ণ ডিপোতে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা অয়েল কোম্পানির বর্তমান কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপোর ব্যবস্থাপক (এভিয়েশন) মো. সাইদুল হক ২০১৯ সালে সহকারী ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত থাকাকালে একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের সময় জাল বেতন সনদ দাখিল করেন। ওই বেতন সনদে তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ শহীদুল আলমের স্বাক্ষর জাল করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র জানায়, ব্যাংকে দাখিল করা জাল বেতন সনদের সঙ্গে কোম্পানির দেওয়া প্রকৃত সনদের লেখা, তারিখ ও পত্রসূত্রের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া বেতন সনদের সঙ্গে সংযুক্ত চারটি ভাউচারে কোম্পানির সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক আখতার উদ্দৌজা এবং সাবেক মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মহিউদ্দিন আহমদের স্বাক্ষরও জাল করা হয়েছিল।

এ ঘটনায় ব্যাংকের সন্দেহ হলে একটি তদন্ত দল পদ্মা অয়েল কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে যাচাই-বাছাই করে। পরে ২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর কোম্পানি কর্তৃপক্ষ সাইদুল হককে সাত কর্মদিবসের সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। পরে এই অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়নি। এরপর ২০২০ সালে তাকে উপ-ব্যবস্থাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

@dhakapost

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ