
তদন্ত সংস্থা তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।
আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) গণমাধ্যমের কাছে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৩ সালে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন র্যাব কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে থাকা চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে এ মামলায় আসামি করা হবে।
নারকীয় এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। আমিনুল ইসলাম বলেন, “শাপলা চত্বরে ঘটে যাওয়া নারকীয় হত্যাকাণ্ড গোটা পৃথিবীর মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছিল। মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তারা সিভিলিয়ান বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য যেই হোক—সবার বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। গত ৫ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ থাকলেও প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৭ জুন নতুন দিন ধার্য করেছেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১।
এ মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন— সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।

