
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি আব্দুস সালাম মোল্লা। সদরপুরের আমিরাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজাহার মিয়ার সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাগেছে,মো: আজহার মিয়া ২০/৪২০০৪ইং মোজাফফরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেইঐবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কে না জানিয়ে বিদ্যালয় এর আলমারি, টিন- কাঠ,টিউবয়েল বাবুরচর নিজ বাড়িতে টিন কাঠ দিয়ে ছাপড়া ঘর তুলেনও স্কুল কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যাবহারের জন্য টিউবয়েল নিজ বাড়িতে স্থাপন করেন।
১১/৭/২০০৫ইং বাবুরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদানের দুই বছরের অধিক সময় পার হলেও মোজাফফরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মালামাল ফেরত দেওয়ার জন্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বারবার তাগিদ দিলেওকর্ণপাত করেনি প্রধান শিক্ষক আজাহার মিয়া।
মোজাফফরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কতৃর্ক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। তৎকালীন ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অভিযোগ আমলে নিয়ে আজহার মিয়ার কর্মস্থল সদরপুর বাবুরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সরজমিনে তদন্তে আসেন। সরোজিমিনে তদন্তের সততা প্রমাণিত হয়। ঘটনা তদন্তে সততা প্রমাণিত হয় ক্ষুব্ধ হন দুর্নীতিবাজ আজহার মিয়া। এতে আওয়ামী লীগ নেতা হিমু ওসাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ছাত্তার ফকিরকে দিয়ে সদরপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির হয়ে জেলা দক্ষ জেলা প্রাথমিক শিক্ষার কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদারকে চরমভাবে লাঞ্ছিত অপমানিত করে। অধীনস্থ দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক
দক্ষ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদার জেলা শিক্ষা কার্যালয়ে গিয়ে দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক আজহার মিয়া কে বালিয়ার চর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক বদলিও স্ট্যান্ড রিলিজ করেন এবং বিভাগীয় মামলা দায়ের করেন। দুর্নীতি বাজ প্রধান শিক্ষক আজহার মিয়া আওয়ামীলীগ নেতা দিয়ে দক্ষ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদারকে চাপ সৃষ্টি করে বৃহৎ অপরাধ কে যৎ সামান্য অপরাধে দুটি ইনক্রিমেন্ট কর্তন করে চাপে।
বাবুরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বদলি ইনক্রিমেন্ট কর্তন তার সার্ভিস বুকের দ্বিতীয় খন্ডের ৮ পৃষ্ঠা লাল কালি দিয়ে এন্টি করা ছিল। বত’মানে দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক আজহার মিয়ার সার্ভিস বুকিং অষ্টম পৃষ্ঠায়বালিয়ারচরের বদলিও ইনক্রিমেন্ট কর্তনের কোন রেকর্ড নেই। বালিয়ারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬/৮/২০০৮ইংথেকে৫/৭/২০১০ইংপর্যন্ত প্রায় দুই বছর চাকুরী কোন তথ্য সার্ভিস বুকে এন্টি নাই। দুর্নীতি বাজপ্রধান শিক্ষক আজার মিঞার সার্ভিস বুকের পৃষ্ঠা পরিবর্তন করেছে। সার্ভিস বুকের দ্বিতীয় খন্ডের ৭/৮নংতা১৭/১৮নংস্টাটা দুটি নতুন সংযোগ করেছে । অন্য পৃষ্ঠার সাথে পরিবর্তন নতুন করে সংযুক্ত ও৭/৮নংও১৭/১৮নং পৃষ্ঠা কালারে মিল নাই।
দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক আজহার মিয়া স্লিপের রুটিন মেনটেন্স, ক্ষুদ্র মেরামতের, আমিরাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রড আত্মসাৎ এবংশিক্ষক -শিক্ষিকাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে স্কুল কক্ষে সততা স্টোর খুলে লুটপাট করেছে।এ প্রতিবেদন সরজমিনে পরিদর্শনে গেলে ঘটনা সত্যতা মিলে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকাবাসী জানান,সার্ভিস বুক সংক্রান্ত জালিয়াতির ঘটনায় তদন্তে কঠিন শাস্তির দাবি করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মামুনুর রহমান জানান, আজহার মিয়া সার্ভিস বুকে পৃষ্ঠা এলোমেল দেখে গেছে। অভিযোগের ব্যাপারে তিনি জানান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তদন্তে যে ব্যবস্থা নিতে বলে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, মহিউদ্দিন বলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
© Daily Tritiya Matra.com

