
সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মহিউদ্দীন খান আলমগীর (ম খা আলমগীর) ও তার স্ত্রী সেতারা বেগমের ৩৩ টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দেন বলে জানান দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ।
দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহাজান মিরাজ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, মহিউদ্দীন খান আলমগীর ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের তথ্য গোপন করার জন্য তিনি ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এক ব্যাংক হিসাব থেকে অন্য ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ম খা আলমগীর ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের নামের ৭৯টি হিসাবে ২১৬ কোটি ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ও ৬ হাজার ১৮৮.৫৯ মার্কিন ডলার জমা করা হয়। উত্তোলন করা হয় ২০৯ কোটি ১৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ও ৬ হাজার মার্কিন ডলার। এটা অত্যন্ত অস্বাভাবিক লেনদেন, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাদের ৩৩টি ব্যাংক হিসাবে হিসাবে স্থিতি রয়েছে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা ৯৯ পয়সা এবং ১৮ হাজার ৮৫৭ মার্কিন ডলার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। দুদক জানতে পেরেছে অভিযোগ তোরা ৩৩ টি ব্যাংক হিসেবে অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর বা স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন। এই অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর বা স্থানান্তর করলে রাষ্ট্রের অপ্রয় নিয়োগ ক্ষতি হবে বিধায় তাদের ব্যাংক হিসাব সমূহ অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন!

