রবিবার, জুলাই ৫, ২০২৬

এমপিপুত্র সজীবের বিরুদ্ধে চাঁ’দা’বা’জির অ’ভিযোগ, দুদকে অনুসন্ধানের আবেদন

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলামের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবের বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগের অনুসন্ধান চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

২ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান দুদক চেয়ারম্যানের কাছে এ আবেদন জমা দেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ জুন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলামের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ২১ জুন গভীর রাতে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। তার বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ রাজধানীতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহায়তায় সজীবকে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে আবেদনে দাবি করা হয়, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর একটি বড় শিল্পগ্রুপের গাড়ি আটকে রেখে সজীবের সহযোগীরা চাঁদা দাবি করেন। পরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন কারখানার পণ্যবাহী যানবাহন আটকে অর্থ আদায় এবং ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, সজীব জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পালন করলেও হেফাজতে নেওয়ার পর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।

আবেদনকারী আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান বলেন, “জাতীয় দৈনিকগুলোতে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো অনুসন্ধান শুরু না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে রাজনীতি সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে।”

তবে খাইরুল ইসলাম সজীব বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ