সোমবার, জুন ৮, ২০২৬

দুই বছরে বিপুল সম্পদের মালিক, তদন্তের দাবি সোহেল মিয়াকে ঘিরে

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৩-এ কর্মরত সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম এবং দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত দুই বছরে তিনি নিজ জেলা ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নামে-বেনামে জমি ও বহুতল ভবনের মালিক হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবি, সোহেল মিয়ার স্থায়ী বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায়। সাধারণ চাকরিজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও সাম্প্রতিক সময়ে তার সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় তার মালিকানাধীন জমিতে একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া মুক্তাগাছা শহর ও আশপাশের এলাকায় তার একাধিক বাড়ি এবং বিপুল পরিমাণ জমি রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দুই বছরে তিনি নামে-বেনামে বিভিন্ন স্থানে জমি ক্রয় করেছেন। এসব সম্পদের কিছু অংশ পরিবারের সদস্যদের নামেও নিবন্ধন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, ডিএনসিসির গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চলে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রভাব খাটিয়ে এবং অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ অর্জন করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।

মুক্তাগাছার কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সোহেল মিয়ার জীবনযাত্রার মান ও সম্পদের পরিমাণে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। তাদের মতে, তার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে বর্তমান সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্ত করা উচিত। তদন্তের মাধ্যমে সম্পদের উৎস এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

এ বিষয়ে সোহেল মিয়ার বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ