শুক্রবার, মে ২৯, ২০২৬

প্রবাসীদের প্লট জালিয়াতির অ’ভিযোগে রাজউকের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অ’ভিযোগ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর প্রবাসী মালিকদের জন্য বরাদ্দকৃত প্লট ভুয়া মালিক সেজে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে রাজউকের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীও জড়িত।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্বৈরাচার সরকারের আমলে রাজউকের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সহযোগিতায় ভূমি অধিগ্রহণের নির্ধারিত সীমার বাইরে অতিরিক্ত ‘রেড লাইন’ টেনে জমি দখল করা হয়। পরে অবৈধভাবে প্লট তৈরি করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে রাজউকের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় স্থানীয় জমির মালিকদের হয়রানি করারও অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীরা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২)-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও দীর্ঘ ছয় মাস পার হলেও কোনো কার্যকর প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন।

অভিযোগে যাদের নাম উঠে এসেছে তারা হলেন— রাজউকের কর্মকর্তা সানোয়ার, আরফাত ও হাসান। এছাড়া তাদের সহযোগী হিসেবে আফতাব, সালাম ও শরিফসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এই চক্র নিরীহ মানুষদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

রাজধানীর ১৫ নম্বর সেক্টরের চন্ডালভোগ মৌজার আরএস দাগ নম্বর ৩০৩ এবং মহানগর দাগ নম্বর ১২৩৪-এর জমির মালিক প্রবাসী সাইফুল ইসলাম শহর আলী অভিযোগ করে বলেন, তার মোট ৭৪ শতাংশ জমির বিপরীতে তাকে মাত্র ৫৪ শতাংশ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি জমি বিভিন্ন কৌশলে বেদখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

সাইফুল ইসলাম শহর আলী বলেন, “আমি জমির প্রকৃত মালিক। কিন্তু আমার জমি অধিগ্রহণের নামে রাজউকের কয়েকজন ব্যক্তি তা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এছাড়া আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে হয়রানি করা হচ্ছে।”

এ বিষয়ে রাজউকের কর্মকর্তা সানোয়ার বলেন, “আমরা তাকে চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলার জন্য বলেছি, কিন্তু তিনি যাননি।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে রাজউকের অন্যান্য অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ