শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬

ডিসি অফিসের চাকরিতে সম্পদের পাহাড়: হাসেমের অস্বাভাবিক সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন

মো. আবুল হাসেম শিকদার (৫০)। তার বাবা ছিলেন কৃষক। মাত্র একযুগ আগেও মাঠে ছিল না তাদের তেমন জমি-জমা। জরাজীর্ণ ঘরে করতেন বসবাস।

শুধু নিজের পরিবার নয়, শ্বশুর বাড়ির পরিবারেও ছিল না তেমন কোনো সম্পদ। অথচ হাসেম ডিসি অফিসে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী চাকরি পেয়ে নিজের ও শ্বশুর বাড়ির পরিবারের ভাগ্য বদলে ফেলেছেন।ফরিদপুর ডিসি অফিসে (ভূমি অধিগ্রহণ শাখায়) ট্রেসার হিসেবে নিযোগ পাওয়ার পর থেকে তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন তিনি।

ঢাকা ও ফরিদপুর শহরেও একাধিক ফ্ল্যাট ও প্লট রয়েছে। নিজের ও স্ত্রী-সন্তানদের রয়েছে একাধিক গাড়ি ও আইফোন। যেন ডিসি অফিসের এক চাকরিতেই আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়েছেন হাসেম।

অনিয়মের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রয়েছে। দুদুকেও অভিযোগ রয়েছে। এর আগে দুর্নীতির দায়ে তাকে বরখাস্তও করা হয়।আবুল হাসেম ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের জীবন শিকদারের ছেলে। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট হাসেম।

@kalerkantho

 

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ