
নোয়াখালীতে রাজনৈতিক কর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানি, নির্যাতন এবং অর্থ আদায়ের অভিযোগে সাবেক পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের অভিযোগ, তার দায়িত্বকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির বদলে নানা অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার বেড়েছিল।
তথ্য অনুযায়ী, শহীদুল ইসলাম ২০২১ সালের ১ আগস্ট নোয়াখালীর পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ২৫তম বিসিএসের মাধ্যমে ২০০৬ সালে পুলিশ বিভাগে যোগ দেন।
নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন অভিযোগ করেছেন, ২০২২ সালে একটি সাম্প্রদায়িক ঘটনার পর তাকে আটক করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। তার দাবি, রিমান্ডে থাকাকালে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পাশাপাশি পরিবারের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই সময় বিভিন্ন মামলায় সাধারণ মানুষকে জড়ানো হয় এবং তাদের কাছ থেকেও হয়রানির মাধ্যমে অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটেছে।
এছাড়া সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে বলে জানা গেছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, কিছু ক্ষেত্রে পণ্য সরবরাহ ছাড়াই বিল উত্তোলনের ঘটনাও ঘটেছে।
অভিযোগ রয়েছে, এসব বিষয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে তদন্তের কথাও উঠেছিল এবং সংশ্লিষ্ট কিছু নথিতে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শহীদুল ইসলাম বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়গুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

