শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬

দুর্নীতির তথ্য ফাঁস করায় প্রাণনাশের হুমকি: রাজউকের যান্ত্রিক সহকারী জাকির হোসেনকে ঘিরে চাঞ্চল্য

কে এম রায়হানঃ
রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ রাজউকের যান্ত্রিক সহকারী জাকির হোসেনের নামে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরেও ব্যবস্থা গ্রহনে কতৃপক্ষের গড়িমসি। রাজউক এর ৩য় শ্রেনীর কর্মচারী হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গড়েছেন শত কোটির সম্পদ।

খোজনিয়ে জানা যায়, জাকির হোসেন তার স্ত্রীর নামে মালিবাগ বাজার রোড এবং ডিবিএল হাসনা হেনা গার্ডেন এলাকায় দুটি অভিজাত ফ্ল্যাট কিনেছেন। এছাড়াও রাজধানী ঢাকার বাসাবো এলাকায় একটি বাড়ির মালিকও তিনি। তার চাকরির শুরু থেকে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে সর্বসাকুল্লে একটি ফ্ল্যাট কিনতে পারারই কথা নয় সেখানে তিনি তার স্ত্রী মনিরা আক্তারের নামে কিনেছেন একটি আপডেট এক্সজিও মডেলের গাড়ি।এতো সম্পত্তির মালিক হলেন কিভাবে এ নিয়ে রাজউক কর্মচারীদের কানাফোঁসা করতে শোনাযায়।

এছাড়া গ্রামের বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে কোটি টাকার সম্পত্তির মিলেছে, যার উৎস নিয়েও রয়েছে নানান প্রশ্ন। অভিযোগ রয়েছে, তার স্ত্রী মনিরা আক্তারের স্বর্ণালঙ্কার ও বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে শত কোটি টাকার লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। রাজউক সূত্রে জানাযায়, জাকির হোসেন ছিলেন রাজউক আলোচিত ব্যক্তি “গোল্ডেন মনির” দুর্নীতিবাজ চক্রের অন্যতম সদস্য।

রাজউকের নথি গায়েব চক্রের গোল্ডেন মনিরের সহযোগী হিসেবে তার নাম উঠে এসেছে একাধিকবার। এমনকি মনিরের বাসায় অভিযান পরিচালনার আগে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ জাকির হোসেনের বাসায় সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ অনুসারে, পরবর্তীতে সেই অর্থ ও স্বর্ণের একটি বড় অংশ জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী আত্মসাৎ করেন। রাজউকে বিতর্কিত জাকির হোসেনের সন্দেহজনক সম্পদের উৎস সঠিকভাবে অনুসন্ধান করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। জাকির হোসেনের মতো একজন নিম্নপদস্থ কর্মচারীর সম্পদের উৎস অনুসন্ধান করলে হয়তো উন্মোচিত হবে আরও বড় চক্র ও দুর্নীতির গহ্বর। সাধারণ জনগণের টাকা মেরে কিভাবে শতকোটির মালিক হলেন, দুূদকের হস্তক্ষেপ কামনা সচেতন মহলের।

দৈনিক সকালের সময় সংবাদটি অনলাইনে প্রকাশ হলে প্রতিবেদককে ফোন দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালি গালজ করেন। প্রতিবেদক জীবনের ঝুঁকি মনেকরে তেজগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন যাহার নং(৮৬৮)

@thedailyjanomuktibarta

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ