দুর্নীতি দমন কমিশন সিলেট জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জুয়েল মজুমদারের নেতৃত্বে দুদকের একটি দল এই নোটিশটি টাঙিয়েছেন।
এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর সিসিকের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বাসায় এভাবে নোটিশ টানায় দুদক।
নোটশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে কমিশনের ‘স্থির বিশ্বাস‘ জন্মেছে যে শহীদ চৌধুরী তার জ্ঞাত আয়ের বাইরে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(১) ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে নিজের এবং তার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে ও বেনামে অর্জিত সব ধরনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী আদেশ প্রাপ্তির ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে দুদক কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করলে অথবা মিথ্যা বিবরণী প্রদান করলে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। নোটিশের সঙ্গে সম্পদ বিবরণীর একটি সেট সংযুক্ত রয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন সিলেট জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জুয়েল মজুমদার বলেন, সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সাবেক এপিএস মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী শহীদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক থেকে আমরা একটি টিম এসেছি। ডিডি স্যারের নির্দেশে সম্পদ বিবরণীর নোটিশ টাঙনো হয়েছে। পরবর্তীতে তিনি তার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, ‘আদেশ প্রাপ্তির ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দুদক কার্যালয়ে বিবরণী দাখিল করতে পারবেন।’
@jagonews24.com