
রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে এস আলম গ্রুপের মালিকসহ আসামিরা হলেন- গ্লোবাল ট্রেডিং কর্পোরেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাশেদুল আলম, গ্লোবাল ট্রেডিং কর্পোরেশন লিমিটেডের পরিচালক ফারহানা বেগম ও মোহাম্মদ আবদুস ছবুর, এস আলম গ্রুপের মালিক ও এস আলম ট্রেডিং কোং (প্রা.) লিমিটেডের পরিচালক মো. সাইফুল আলম, এস আলম ট্রেডিং কোং (প্রা.) লিমিটেডের পরিচালক মো. ওসমান গনি, সোনালী ট্রেডার্সের মালিক মো. শহিদুল আলম, এন এন ইন্সপেকশন সার্ভিসের ম্যানেজিং পার্টনার খন্দকার রবিউল হক ও কমোডিটি ইন্সপেকশন সার্ভিসেস (বিডি) লিমিটেডের এমডি খন্দকার জহিরুল হক।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ ও প্রতারণার মাধ্যমে ঋণের লিমিট অনুমোদনপত্রের শর্তভঙ্গ করেছেন। নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত ফান্ডেড লাইবেলিটি ও নন-ফান্ডেড লাইবেলিটি সৃষ্টি করা হয়েছে। একইসঙ্গে লোন ট্রাস্ট রিসিপ্ট ও লেটার অব ইনডেমিনিটি রিসিপ্টে সীমাতিরিক্ত দায় সৃষ্টি করে ঋণ প্রদান করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থ্যাৎ আসামিরা ব্যাংকিং নিয়ম লঙ্ঘন করে পরিকল্পিতভাবে চট্টগ্রামে জনতা ব্যাংকের আগ্রাবাদে সাধারণ জীবন বীমা ভবন কর্পোরেট শাখা থেকে ১ হাজার ৯৬৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা লুটপাট করেছে।

