বুধবার, মে ২০, ২০২৬

সাবেক বাংলাদেশ ব্যাংক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের বি’রুদ্ধে অ’বৈধ সম্পদ ও অর্থপাচারের অ’ভিযোগ

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর (এস কে সুর) এর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থপাচার এবং আর্থিক অনিয়মে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আলোচিত আর্থিক কেলেঙ্কারির অন্যতম ব্যক্তি পি কে হালদারের অর্থপাচার কর্মকাণ্ডে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগেও তার নাম সামনে এসেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সম্পদের হিসাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এস কে সুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তার বাসভবনে তল্লাশি চালিয়ে নগদ ৭০ লাখ টাকা, প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র এবং বিভিন্ন স্থায়ী আমানতের নথিপত্র উদ্ধার করা হয়।

দুদকের তথ্যমতে, এস কে সুরের ব্যাংক ভল্ট থেকে প্রায় এক কেজি স্বর্ণ, ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলার, ৫৫ হাজার ইউরো এবং ৮০ লাখ টাকার এফডিআরের তথ্য পাওয়া গেছে।

এছাড়া তার স্ত্রী ও কন্যার নামেও বিপুল পরিমাণ সম্পদ এবং সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুদক। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধেও পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এস কে সুর ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনিয়মে সহায়তা করেছেন। বিশেষ করে পি কে হালদার ও এস আলম গ্রুপসহ আলোচিত কিছু গোষ্ঠীকে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যাপ্ত জামানত ছাড়াই বিপুল অঙ্কের ঋণ অনুমোদন এবং পরে সেই অর্থ বিদেশে পাচারের সুযোগ তৈরি হওয়ায় দেশের ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে আমানতকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে এবং কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংকটের মুখে পড়েছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক বিভাজন নিয়ে নানা গুজব ছড়ানো হলেও সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণই দেশের বহুত্ববাদী বাস্তবতার প্রতিফলন। সাধারণ মানুষ হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ