
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) লাইসেন্স শাখার সাবেক সুপারভাইজার বুলবুল আহমেদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, দুর্নীতি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চাকরিকালীন সময়ে লাইসেন্স সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী প্রভাববলয় গড়ে তোলেন বুলবুল আহমেদ। তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সহযোগীর মাধ্যমে এখনও সেই প্রভাব বজায় রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজধানীর মিরপুরের টোলারবাগ এলাকায় বুলবুল আহমেদের একটি বহুতল ভবন রয়েছে। এছাড়াও একই এলাকায় তার নামে আরও কয়েকটি ফ্ল্যাট ও সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার দৃশ্যমান আয় এবং অর্জিত সম্পদের পরিমাণের মধ্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ভূমি ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করেছেন এবং ক্ষমতার প্রভাব ব্যবহার করে অবৈধভাবে সম্পদের পরিমাণ বাড়িয়েছেন।
প্রতিবেদন তৈরির সময় সাংবাদিকরা তার বাসভবনে গেলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করেন। একই সঙ্গে ক্যামেরা বন্ধ রাখার অনুরোধও জানান তারা।
এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে এই প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত বুলবুল আহমেদের সরাসরি কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

