শুক্রবার, মে ১৫, ২০২৬

দু’র্নী’তির তদন্ত শুরু হওয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্নীতির তদন্তের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগ, সরকারি কেনাকাটা ও বিভিন্ন অনিয়মের তদন্ত শুরু হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ধ্বংসের উদ্দেশ্যে এ আগুন দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

১৪ মে বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আপনারা দেখেছেন, ডিজি প্রাইমারি অফিসে আগুন লাগানো হয়েছে। কাগজপত্র, নথিপত্র ও কম্পিউটার পুড়ে গেছে। অতীতের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে গেলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তাই বিষয়গুলো ধীরে ধীরে ও কৌশলগতভাবে মোকাবিলা করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগ ও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

জাল সনদধারী শিক্ষকদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. মিলন বলেন, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) নতুনভাবে জাল শিক্ষক শনাক্তে কাজ শুরু করেছে। এ ছাড়া সনদ যাচাইয়ের জন্য নতুন সফটওয়্যার ও অ্যাপ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “অনেক বছর ধরে এসব অনিয়ম চলে আসছে। তাই সবকিছু একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। ধাপে ধাপে যাচাই-বাছাই ও প্রযুক্তির মাধ্যমে জাল সনদধারীদের শনাক্ত করা হবে।”

উল্লেখ্য, গত ১ মে ভোরে রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকটি কক্ষের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, কম্পিউটার ও অন্যান্য সরঞ্জাম পুড়ে যায়।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ