বৃহস্পতিবার, মে ২১, ২০২৬

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন: সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আরো ৪ জন

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও অর্থপাচারের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আরো চারজন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ মামলার ৪ সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

বেনজীর আহমেদ পলাতক থাকায় সাক্ষীদের জেরা করা হয়নি। পরে বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গত ১৩ মে বেনজিরার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ওইদিন এ মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দেন। এর আগে গত ৩ মে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে দুর্নীতির এই মামলায় বেনজিরের বিচার শুরু হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর এ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই কর্মকর্তা গত বছরের ৩০ নভেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। কিন্তু তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এতে মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের প্রমাণ মিলেছে।

এর মধ্যে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা। ব্যয় বাদে নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে বেনজীর আহমেদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বেনজীর আহমেদ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ