শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬

দশমিনায় মৎস্য মেরিন কর্মকর্তার বি’রুদ্ধে ওঠেছে দু’র্নী’তি ও অ’নিয়মের অভিযোগ

দশমিনা উপজেলা মৎস্য দপ্তরের “সাসটেইনেবল কোষ্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ” প্রকল্পের কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা গ্রহণ, জেলেদের টাকা আত্মসাৎ, দুর্নীতি ও অফিসের কর্মচারীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, “মা ইলিশ সংরক্ষন অভিযান-২০২৫” বাস্তবায়নে অনিয়ম, বিধি বহির্ভূত কার্যক্রম, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া স্থানীয় দুস্কৃতিকারীদের সাথে নিয়ে অভিযান পরিচালনার সময় স্থানীয় জেলেদের রোশানলে পরে শারীরিক নিয়াতনের স্বীকার হন ওই কর্মকর্তা। অনৈতিক কার্যক্রমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে, বরিশাল মৎস্য অধিদপ্তর, বরিশাল সাসটেইনেবল কেষ্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্প পরিচালক ওই রাতেই তাকে মৌখিক আদেশে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম পালনের নির্দেশ দেন। উপজেলা মৎস্য অফিসে কর্মরত অবস্থায় অফিস সহকারী রন্তা মন্ডলকে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরনের সময় স্বাক্ষরকে কেন্দ্র করে অফিস স্টাফকে মারার জন্য তেরে আসেন। এ ঘটনায় রত্না মন্ডল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দেন।
নিরাপত্তা প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৫ লাখ টাকা নেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জেলেদের বকনা বাছুর দেওয়ার কথা বলে ভোটার আইডি কার্ডসহ নাম প্রতি ১০-১৫ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন। জেলেদের ট্রলারের লাইসেন্স দেবার কথা বলে প্রায় অর্ধ লাখ টাকা নিয়েছেন। জেলেদের ট্রলারের লাইসেন্স রেনু করার জন্য ওই টাকা সরকারি কোষাগারে না দিয়ে নিজে আত্মসাৎ করেন। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়নে নদীতে টহলরত ট্রলারে তেলের টাকা আত্মসাৎ করেন বলেও জানা যায়।
উপজেলা মৎস্য অফিসের অফিস সহকারি রত্না মন্ডল জানান, “২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রান্তিক জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরনের সময় জেলেদের স্বাক্ষর নিতে সময় হলে “সাসটেইনেবল কোষ্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ” প্রকল্পের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মনাজমুল হাসান (পলাশ) তার টেবিল থেকে আমার টেবিলে এসে মারার জন্য চেষ্টা করেন। সেখানে অফিসের আমিনুল ইসলাম ও মৎস্য বোট চালক সুজালক আমাকে রাক্ষা করেন। আমি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মহোদয়েকে মৌখিক জানাই তিনি আমাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন।”

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ