
দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি এবং শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের বিচার ও দণ্ডাদেশ নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি বলছে, টিউলিপ সিদ্দিককে নির্দোষ দাবির কোনো ভিত্তি নেই। দুর্নীতিতে সহায়তা ও প্ররোচনায় টিউলিপের সঙশ্লিষ্টতা প্রমাণিত। গতকাল মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানায় দুদক।
রাষ্ট্রপক্ষ মামলায় মোট ৩২ জন সাক্ষী উপস্থাপন করে। তাদের অনেকেই শপথ করে সাক্ষ্য দেন যে, টিউলিপ সিদ্দিক তার খালার ঘনিষ্ঠতা ও প্রভাব ব্যবহার করে এই প্লট বরাদ্দ আদায় করেন।
সাক্ষ্যপ্রমাণ ও পারিপার্শ্বিক তথ্য থেকে দেখা যায়— টিউলিপ সিদ্দিক নিজে, তার মা ও ভাইবোনদের নামে প্লট বরাদ্দের ঘটনায় তিনি প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন। শুধু এই মামলায় নয়, অন্যান্য ঘটনাতেও তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী গুরুতর অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।
গুলশানে বরাদ্দকৃত প্লটে নম্বরসহ বিস্তারিত উল্লেখ করে বলা হয়, টিউলিপ সিদ্দিক নিজেও একটি ফ্ল্যাট ও প্লট বরাদ্দ গ্রহণ করেন। এই সম্পত্তি তিনি তার খালার ওপর প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে গ্রহণ করেন।
এই প্লটগুলো কোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষিজমি নয়— এগুলো রাজধানী ঢাকার সবচেয়ে মূল্যবান ও অভিজাত এলাকায় অবস্থিত সরকারি জমি, যেখানে বড় বড় বাড়ি ও বহুতল ভবন নির্মাণ করা সম্ভব।

