শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬

১১ মাসে দুদকের জালে ধরা পড়ল ২৬ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ

গণ অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে দুর্নীতিবাজদের ধরপাকড়ে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধে রেকর্ড সাফল্য দেখিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১১ মাসে দেশে-বিদেশে দুর্নীতিবাজ, অর্থপাচারকারী, সরকারি লোপাটকারী এবং ঋণখেলাপিসহ তিন শতাধিক ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৬ হাজার ১৩ কোটি টাকার বেশি স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

যেখানে ২০২৪ সালের পুরো সময়ে ক্রোক ও অবরুদ্ধের পরিমাণ ছিল মাত্র ৩৬১ কোটি টাকা। শুধু তাই নয় ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে ক্রোক ও অবরুদ্ধ সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেল ১১ মাসে সম্পদ ক্রোক ও ফ্রিজে নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে দুদক।

দুদকের বিভিন্ন দুর্নীতির মামলায় গত ১১ মাসে (ডিসেম্বর-অক্টোবর) আদালতের নির্দেশনায় ওই সব সম্পদ ক্রোক বা অবরুদ্ধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সার্বিক বিষয়ে দুদকের কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী বলেন, দুদকের দন্ত ও নক রয়েছে। যা আরও শার্প করা হয়ত দরকার আছে। একটা কথা বলতে চাই, দুদক কিন্তু যথার্থ আইনি শক্তিতে মহিয়ান। বিচারকাজে গতিশীল করতে দুদকের আরও বিশেষ আদালত প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ