
এসিএম নিউজ, ঢাকা
দুর্নীতির মাধ্যমে বেসিক ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ থাকায় বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বাচ্চুসহ ১৬ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
তাহমিনা ডেনিম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াসির আহমেদ খানসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের দুদক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ১৬ জনের দেশটাকে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন বলে জানান আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।
নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্ত অপর ব্যক্তিরা হলেন— তাহমিনা ডেনিম লিমিটেডের চেয়ারম্যান কা. জামান মোল্লা, পরিচালক কাজী রিজোয়ান মোমিনুল হক, উপ-মহাব্যবস্থাপক সিগার আহমেদ, সাবেক এমডি কাজী ফখরুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুস সোবহান, চিফ সার্ভেয়ার জসিমউদদীন চৌধুরী, বেসিক ব্যাংকের সাবেক মহাব্যবস্থাপক শাহ আলম ভূইয়া, বেসিক ব্যাংক সাবেক পরিচালক জাহাঙ্গীর আখন্দ সেলিম, বেসিক ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের সাবেক পরিচালক ফখরুল ইসলাম, বেসিক ব্যাংক সাবেক পরিচালক সুবাশিষ বোস, বেসিক ব্যাংক সাবেক পরিচালক নিলুফার আহমেদ, বেসিক ব্যাংক সাবেক পরিচালক ড. কাজী আক্তার হোসাইন বেসিক ব্যাংক সাবেক পরিচালক মো.আনোয়ারুল ইসলাম ও বেসিক ব্যাংক সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম সাজেদুর রহমান।
দুদকের সহকারী পরিচালক বিষাণ ঘোষ তাদের দেশত্যাগ নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে পরস্পর যোগসাজশে, ক্ষমতার অপব্যবহার পূর্বক অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে অন্যায়ভাবে নিজেরা লাভবান হয়ে বেসিক ব্যাংক লিমিটেড এর ৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করেন, যা দণ্ডবিধি এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে ২০২৩ সালের ১২ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় । তবে আদালতের নির্দেশে বর্তমানে মামলাটির অধিকতর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তদন্তকালে গোপন সূত্রে জানা যায়, এজাহারভুক্ত ও তদন্তে আগত আসামিরা দেশত্যাগ করে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত আছেন। আসামিরা বিদেশে পালিয়ে গেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্তে বিঘ্ন হবে। এজন্য তাদের দেশত্যাগ রহিতকরণ করা প্রয়োজন।

