
কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী, চট্টগ্রাম- এ বিভিন্ন সময়ে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ ও হাসপাতালে আগত রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদানে অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক, সজেকা, চট্টগ্রাম-২ হতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। টিমের কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে সার্বিক সেবাদান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ করেন।
নতুন সৃষ্ট কর্ণফুলী উপজেলার উক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির পরিসর তুলনামূলক বেশ ছোট এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে শুধু আউটডোর সেবা বিদ্যমান রয়েছে। ৩ টাকায় টিকেট কেটে রোগীরা আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে পারছেন এবং সীমিত সংখ্যক মেডিকেল টেস্ট করানোর সুবিধা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে সেবা পেতে রোগীরা কোন দুর্ভোগের অভিযোগ করেননি। তবে কিছু সংখ্যক রোগী পর্যাপ্ত ঔষধ না পাওয়ার অভিযোগ করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তার বক্তব্যে জানান যে বরাদ্দ সীমিত হওয়ায় তারা রোগীদের চাহিদামত ঔষধ দিতে পারছেন না, যতটুকু সম্ভব স্টক থাকা সাপেক্ষে রোগীদের ঔষধ দেওয়া হচ্ছে।
বিভিন্ন সময়ে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। অভিযানকালে প্রাপ্ত তথ্যাবলির প্রেক্ষিতে এনফোর্সমেন্ট টিম কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে।
অভিযান ০২
নড়াইল সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নে বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতসহ নানাবিধ অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, যশোর হতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে অভিযোগসংক্রান্ত রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। অভিযোগে বর্ণিত ছয়টি প্রকল্প টিম সরেজমিনে পরিদর্শন করে, যেখানে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয়। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনান্তে কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
অভিযান ০৩
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, খুলনার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের হয়রানি, ঘুষ গ্রহণ, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, খুলনা হতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের শুরুতে টিম অভিযোগে উল্লিখিত ভুক্তভোগী গ্রাহকদের নথি সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করে এবং পাশাপাশি গত ১ বছরে দাখিলকৃত নথির মধ্যে দ্বৈবচয়ন পদ্ধতিতে কিছু নথি পরীক্ষা করে। পর্যালোচনায় দেখা যায়, একজন গ্রাহকের নিকট থেকে ৩০,০০০/- টাকা ঘুষ গ্রহণ এবং বিনা কারণে তার ফাইল দুই মাসের অধিক সময় ধরে আটকে রাখার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। এছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উল্লিখিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা শেষে এনফোর্সমেন্ট টিম বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশন বরাবর দাখিল করবে।

