
বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক (ডিডিএলজি) এবং বগুড়া পৌরসভার সাবেক প্রশাসক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ ঘটনায় স্থানীয় সরকার বিভাগের আইন উপদেষ্টা (জেলা ও দায়রা জজ) এম এ সাঈদকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বুধবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিটি করপোরেশন-১ শাখার উপসচিব রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অভিযোগকারী বগুড়া শহরের কাটনারপাড়া এলাকার বাসিন্দা আলিমুদ্দিন হারুন। তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বগুড়া পৌরসভার হাট-বাজার ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়েছেন রাজিয়া সুলতানা। এছাড়া ইজারার অর্থ সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়েই হাট-বাজার ইজারা প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।
এ ছাড়া বিভিন্ন টেন্ডার কার্যক্রম এবং ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগও আনা হয়েছে। প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পৌরসভায় নানা ধরনের অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে রাজিয়া সুলতানা বলেন, দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিভিন্ন অনিয়ম বন্ধে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। বিশেষ করে টেন্ডার ও নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে অনিয়ম করতে না দেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পারে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।
উল্লেখ্য, বগুড়া সিটি করপোরেশন ঘোষণার আগে রাজিয়া সুলতানা প্রায় ছয় মাস বগুড়া পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com