
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-০৩-এ কর্মরত সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সূত্র ও অনুসন্ধানে তার নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক জমি ও ভবনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সোহেল মিয়ার স্থায়ী বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায়। স্থানীয়দের দাবি, গত দুই বছরে তার আর্থিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে এবং এই সময়ে তিনি বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় সোহেল মিয়ার মালিকানাধীন জমিতে একটি পাঁচতলা ভবন রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার নিজ এলাকা ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা শহরেও একাধিক আবাসিক সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, স্বল্প সময়ের মধ্যে তার দৃশ্যমান সম্পদ ও জীবনযাত্রার মানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। তবে এসব সম্পদের বৈধ উৎস সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।
অনুসন্ধানী সূত্রগুলোর দাবি, গত দুই বছরে মুক্তাগাছা শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সোহেল মিয়া নামে-বেনামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমি ক্রয় করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের নামেও সম্পত্তি নিবন্ধনের অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব তথ্যের স্বাধীন যাচাই এখনো সম্পন্ন হয়নি।
ডিএনসিসির একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে দায়িত্ব পালনকারী একজন কর্মচারীর স্বল্প সময়ে বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রভাব খাটানো, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি কিংবা অনিয়মের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের ফলে এ সম্পদ গড়ে উঠতে পারে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে এখনো কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
সচেতন মহল মনে করছে, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে তার আয়ের উৎস এবং অর্জিত সম্পদের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com