
পরিবেশ অধিদপ্তরের ১৯তম গ্রেডের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরির আড়ালে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত সেলিম মাহমুদ, যিনি স্থানীয়ভাবে ‘সানি’ নামে পরিচিত, অল্প কয়েক বছরের ব্যবধানে বিলাসবহুল ব্যবসা ও একাধিক সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ থেকে ১৬ বছর আগে পরিবেশ অধিদপ্তরে ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট পদে চাকরিতে যোগ দেন সেলিম মাহমুদ। তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের বালিয়াটি ইউনিয়নের কুষ্টিয়া গ্রামে। এলাকাবাসীর দাবি, চাকরিতে যোগদানের পর থেকেই দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে তার জীবনযাত্রায়। স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বিপুল সম্পদের মালিক বনে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মানিকগঞ্জ শহরের কাজল কমপ্লেক্সে “দ্য জেন্টলম্যান” নামে একটি অভিজাত সেলুন এবং একটি কসমেটিকস ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। ব্যবসাগুলো কাগজে-কলমে তার স্ত্রীর নামে থাকলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ সেলিম মাহমুদের হাতেই রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সূত্র আরও জানায়, শুরুতে এসব প্রতিষ্ঠানে একাধিক অংশীদার থাকলেও ধীরে ধীরে পুরো ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নেন তিনি। সম্প্রতি প্রায় ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে এক অংশীদারের শেয়ার কিনে নেওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর।
এছাড়া সরকারি চাকরির বিধিমালা লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনা, ঘুষ গ্রহণ, প্রভাব খাটানো এবং ব্যক্তিগত নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে সেলিম মাহমুদ প্রায় দুই কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com