জাল রেমিট্যান্স রেফারেন্স নম্বর ও ভুয়া কম্পিউটার জেনারেটেড রশিদ তৈরি করে ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৬৫ টাকা আত্মসাতের মামলায় অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা ফজলে আজিমকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১২ মে) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ফজলে আজিম পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
মামলার তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— মোহাম্মদ রেজাত হোসেন, হামদে রাব্বি মুন্না ও রিপায়ন বড়ুয়া। মো. ফজলে আজিম খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় থানার মাস্টারপাড়া কলেজ রোড এলাকার এ কে এম শাহ আলমের ছেলে। তিনি অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট বিটি শাখার সাবেক কর্মকর্তা এবং সাময়িক বরখাস্তকৃত কর্মচারী ছিলেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রনি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান কারাদণ্ডের পাশাপাশি আত্মসাৎ করা ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৬৫ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ফজলে আজিমকে।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে বহদ্দারহাট বিটি শাখায় বৈদেশিক রেমিট্যান্স দেওয়ার দায়িত্বে থাকাকালে ফজলে আজিম বিভিন্ন ভুয়া রেমিট্যান্স রেফারেন্স নম্বর তৈরি করেন। পরে জাল কম্পিউটার জেনারেটেড রশিদ ও ট্রান্সফার ভাউচার ব্যবহার করে ব্যাংকের এফডিডি খাত থেকে টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।
এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক জাফর আহমেদ ২০১৯ সালের ২০ মার্চ চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হলে ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
মামলায় সাত জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com