
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা নগর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদকে ঘিরে বিভিন্ন অনিয়ম ও আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অতীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে কিছু কাজের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ঠিকাদারদের অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ সময় বেশ কিছু সরকারি স্থাপনার নির্মাণ ও সংস্কার কাজের মান নিয়েও অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া দরপত্র প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত ব্যয় নির্ধারণ, তথ্য ফাঁস এবং নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা দেওয়ার মতো অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে শর্ত এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্যদের অংশগ্রহণ কঠিন হয়ে পড়ে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ঠিকাদার অভিযোগ করেন, কাজের অনুমোদন ও বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের চাপ তৈরি করা হয়। যদিও এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, কিছু সরকারি স্থাপনার সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ব্যয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। একাধিক দরপত্র আহ্বানের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, নির্মাণ কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন প্রকল্প ছোট ছোট অংশে ভাগ করে কাজ বণ্টনের বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব অভিযোগের কারণে বিভাগটির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com