
রংপুরে দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় দণ্ডিত হওয়ার পর অবশেষে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বরখাস্ত করা অফিস সহকারী মো. শামসুল ইসলাম। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে আদালতে হাজির হলে বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর আত্মসমর্পণের এ ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে আলোচিত এই মামলা।
আজ সোমবার স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণের পর বিচারক মো. বদরুল আলম ভূঞা তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সাবেক অফিস সহকারী (বর্তমানে বরখাস্তকৃত) মো. শামসুল ইসলাম (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী মোছা. মায়া ইসলাম (৪৫)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে তাজহাট থানায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মানি লন্ডারিং ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি করে। গত ৩১ মার্চ আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুদকের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
উভয়কে পৃথক দুটি ধারায় এক বছর ও তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। উভয়কে আট বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত যাবতীয় সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন আদালত।
কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. আমিনুল ইসলাম এ বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, রায়ের সময় পলাতক থাকলেও আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাজাপ্রাপ্ত ওই দম্পতি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আইনিপ্রক্রিয়া শেষে বিকেল ৫টার দিকে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। দুটি মামলায় চার বছর করে মোট আট বছর ও ২১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত। জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করে অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার মামলাও আছে।
মামলার বাদী দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সমর কুমার ঝাঁ বলেন, আদালত উভয়কে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে আইনিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com