আমিনুল ইসলাম নামে এক ভুক্তভোগী ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর আন্ধারীঝাড় ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান তালুকদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আমিনুল ইসলাম নামে এক ভুক্তভোগী ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আন্ধারীঝাড় ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান তালুকদার নামজারি বা খারিজ সংক্রান্ত বিষয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের সাথে জড়িত। নামজারির আবেদন করার পর তাকে ঘুষ না দিলে তিনি আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর নামজারির বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি ২০ হাজার টাকা দাবি করে বলেন, টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিলে কাজ হয়ে যাবে। পরে তাকে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে বাকি টাকা পরে দেয়ার আশ্বাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিলে তিনি নিজে আবেদন করে নামজারি মঞ্জুর করে দেন। তবে তিনি একটি মূল দলিল নিজের কাছে জমা রেখে দেন।
আরো জানা গেছে, ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা এর আগে অভিযোগকারীর মায়ের একটি জমির নামজারি করতে ছয় হাজার টাকা নেন। এছাড়া ওই জমির খাজনা ২০২১ সাল পর্যন্ত পরিশোধিত থাকার পরেও ৩৫ বছরের খাজনা বকেয়া দেখিয়ে দাখিলা প্রদান করেন। অভিযোগে উল্লেখ্য করা হয়, ওই কর্মকর্তার সাথে হওয়া কথোপকথনের কলরেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি অভিযোগকারীর কাছে সংরক্ষিত আছে।
ভূমি সেবা গ্রহীতা একাধিক ভুক্তভোগী জানান, ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি করাসহ খারাপ আচরণ করে থাকেন।
ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘অভিযোগকারী আমার জামাই, তার কাছে টাকা চাইতে পারি।’
জমির খাজনা বকেয়া না থাকার পরেও ৩৫ বছরের বকেয়া দেখিয়ে দাখিলা আদায়ের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহাদাৎ হোসেনের বলেন, ‘অভিযোগটি দেখে আপনাকে জানাব।’
ভূমি সেবা গ্রহণে হয়রানির শিকার হওয়া ভুক্তভোগীদের দাবি, সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করা হোক।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com