২০২১ সালে অনুসন্ধানটি শুরু হলেও এখনও কোনো অগ্রগতি হয়নি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর অনুবিভাগের যুগ্মকর কমিশনার রিপন শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে সরকারি কর ফাঁকি, ঘুষ গ্রহণ, নিয়োগ বাণিজ্যসহ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০২১ সালে অনুসন্ধানটি শুরু হলেও এখনও কোনো অগ্রগতি হয়নি। ইতোমধ্যে রিপন শাহরিয়ার পদোন্নতিও পেয়েছেন। তিনি এখন ঢাকায় কর অঞ্চল- ১৯ এ কর্মরত।
অভিযোগের নথিটি বুঝে পাওয়ার পর কমিশনে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করেছেন কিনা জানতে চাইলে দুদকের পরিচালক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হুদা দেশকাল নিউজ ডটকমকে বলেন, ‘‘আমার কিছুই মনে নাই। আমার কাছে এ রকম আরও নথি হস্তান্তর করার পত্র এসেছে।’’
সম্প্রতি অভিযোগটির অনুসন্ধানের জন্য নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে দুদক। সহকারী পরিচালক তাপস ভট্টাচার্য্যকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি অনুসন্ধান শুরু করা হয়। তখন রিপন শাহরিয়ার কর অঞ্চল-৮ এর উপকর কমিশনার ছিলেন। বিসিএস ২৮ ব্যাচের এ কর্মকর্তা ২০২৩ সালে যুগ্মকর কমিশনার পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তার বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায়।
অভিযোগটির আগের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জহিরুল হুদা এখন দুদকের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক। তার কাছ থেকে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বুঝে নিয়ে বিধি মোতাবেক অনুসন্ধান করে সুনির্দিষ্ট মতামতসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সহকারী পরিচালক তাপস ভট্টাচার্য্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
দুদক তাকে কখনো ডেকেছে কিনা এবং তার কোনো বক্তব্য নিয়েছে কিনা জানতে চাইলে রিপন শাহরিয়ার দেশকাল নিউজ ডটকমকে বলেন, ‘‘না সেটা অনেক আগের বিষয়। কখনো ডাকে নাই। আমি জানি না কি অবস্থায় আছে।’’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা দেশকাল নিউজ ডটকমকে বলেন, ‘‘অভিযোগটির অনুসন্ধান শেষ না করে এটি ঝুলিয়ে রাখায় ওই কর কর্মকর্তাকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে মামলা হোক। প্রমাণিত না হলে পরিসমাপ্ত হোক। কিন্তু, ঝুলিয়ে রেখে দুদক আসলে কী বার্তা দিতে চায়?’’
@deshkalnews
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com