নিউজ ডেস্ক
রাজশাহীর গোদাগাড়ী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মির্জা মো. আব্দুস সালাম ও তাঁর স্ত্রী শাহানা পারভীনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত প্রায় ৯৬ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গতকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করে। বাদী হয়েছেন সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মামলাটি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শাহানা পারভীন সম্পদ বিবরণীতে ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেন। তবে অনুসন্ধানে তাঁর নামে ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পায় দুদক। এর মধ্যে ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
দুদক বলছে, পারিবারিক ব্যয় বিবেচনায় শাহানা পারভীনের মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। অথচ তাঁর বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে মাত্র ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা। ফলে ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শাহানা পারভীন পেশায় গৃহিণী। এএসপি মির্জা মো. আব্দুস সালাম ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ স্ত্রীর নামে বিনিয়োগ করে সম্পদ গড়ে তোলেন এবং পরে তা বৈধ করার চেষ্টা করেন। ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর অভিযোগ পাওয়ার পর দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ শেষে এ মামলা করা হয়।
জানতে চাইলে সিনিয়র এএসপি মির্জা মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমার স্ত্রী পৈতৃকসূত্রেই ১৪ বিঘা জমি পেয়েছে। সে ২০১৪ সাল থেকে আয়কর দিয়ে আসছে। সব সম্পদ বৈধ। হয়রানি করার জন্য মামলাটি করা হয়েছে।’
মির্জা মো. আব্দুস সালাম মাধ্যমের কাছে দাবি করেন, মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একটি বেনামি অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি করা হয়েছে। দুদক কর্মকর্তা গায়ের জোরে এ মামলা করেছেন।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com