আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
এ বিষয়ে আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিয়াজ হোসেন বলেন, আজ ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে আমুর এসব ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ চেয়ে আবেদন করেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জুলফিকার আলী।
আবেদনে বলা হয়, আমির হোসেন আমু ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি, দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২(শ) ধারার ৪, ৫, ৬ ও ১৪ ধারায় বর্ণিত অপরাধ সংঘটন করেছেন মর্মে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানকালে আমির হোসেন আমুর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে মোট আটটি হিসাব খোলার তথ্য পাওয়া যায়। এসব হিসাব খোলার তারিখ থেকে অদ্যাবধি হিসাব বিবরণী পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সন্দেহভাজন ব্যক্তির নামে থাকা আটটি ব্যাংক হিসাবে বর্তমানে সর্বমোট সাত কোটি ৫১ লাখ ৯১ হাজার ৯২৭ টাকা স্থিতি রয়েছে।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে আরও প্রতীয়মান হয়, সন্দেহভাজন ব্যক্তির হিসাবগুলোতে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার বা হুন্ডির অর্থ লেনদেন করা হয়েছে এবং অপরাধলব্ধ অর্থের উৎস আড়াল করার উদ্দেশ্যে এসব লেনদেন করা হয়েছে। এমতাবস্থায় অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু অনুসন্ধানপূর্বক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের স্বার্থে অনুসন্ধান কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করা একান্ত প্রয়োজন।
@ntvbd
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com