নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ৪টি প্লট ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দেন বলে জানাব দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ।
দুদকের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন ৪টি প্লট ক্রোকের আবেদন করেন।
আবেদন অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার মসুরি গ্রাম মৌজার আনন্দ হাউসিং সোসাইটিতে আবাসিক প্রকল্পে ২৪ কাঠার চারটি প্লট যার মূল্য ১ কোটি ৪৬ লাখ ৫৬ হাজার ৯৬৯ টাকা ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়।
আবেদনে বলা হয়েছে, মতিউরের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তকালে এসব সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে মতিউর রহমান এবং তার পরিবার এসব সম্পদ অন্যত্র স্থানান্তরের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ কারণে দুর্নীতির দন্ত যাতে বাধাগ্রস্থ না হয় এবং সম্পদ হস্তান্তর করতে না পারেন সেই কারণে ক্রোক ও অবরুদ্ধ করার নির্দেশ প্রয়োজন।
এর আগে তিন দফায় মতিউর পরিবারের ৮টি ফ্ল্যাট ও ৩৩ একর সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে। ১৯টি কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উনিশটি কোম্পানিতে ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫১৭টি শেয়ার রয়েছে। এ ছাড়া ১১৬ টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও শেয়ার বাজারে থাকা ২৩টি বিও অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
ইতিমধ্যে মতিউর রহমান, তার দুই স্ত্রী ও ছেলের নামে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
২০২৪ সালের কোরবানি ঈদে ১৫ লাখ টাকায় (প্রাথমিক দর) ‘উচ্চবংশীয়’ ছাগল কেনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল (ছড়িয়ে পড়া) হন মুশফিকুর রহমান ওরফে ইফাত। এই ছাগল-কাণ্ডের জেরেই আলোচনায় আসেন ইফাতের বাবা এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমান। তখন মতিউর রহমানের ছেলের দামি ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন; মতিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের তথ্য সামনে আসতে শুরু করে।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com