এসিএম নিউজ, ঢাকা
সিলেটের শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের আত্মসাৎ করা অর্থে প্রকল্পের সাবেক হিসাব রক্ষক খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবালের অর্জন করা বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ বৃহস্পতিবার সিআইডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবালের নামে থাকা সম্পদের মূল্য ৩১ কোটি ১০ লাখ ২৬ হাজার ৮৪২ টাকা। বাজেয়াপ্ত করা সম্পদের মধ্যে রয়েছে রাজধানীর মুগদা ও উত্তরার কাওলা এলাকায় ক্রয় করা ২৩ দশমিক ৫ কাঠা জমি, ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও মুন্সীগঞ্জ জেলায় ৩০৩ দশমিক ২ শতাংশ জমি; রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী, মিরপুর, বনশ্রী, বাসাবো ও উত্তরার কাওলা এলাকায় অবস্থিত ১৮টি ফ্ল্যাট, মুগদা, আফতাবনগর ও উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরে ৩৯২ দশমিক ৭৩২৩ অযুতাংশ জমির ১১টি শেয়ার। এগুলোর পাশাপাশি আত্মসাৎ করা অর্থে অর্জিত ২১টি মিনিবাস, দুটি হায়েস গাড়ি এবং বিভিন্ন ব্যাংকে রক্ষিত ৩০ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫২ টাকা।
খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবাল শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের হিসাব রক্ষক ও হিসাব বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৮ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেন বলে সিআইডির অনুসন্ধানে উঠে আসে।
সিআইডি জানায়, শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সংস্থার ফিনান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট বাদী হয়ে মতিঝিল (ডিএমপি) থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করে। ২০২৩ সালের ২৬ এপ্রিল দায়ের করা মামলায় খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবাল ও তার স্ত্রী হালিমা আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্তে আত্মসাৎ করা অর্থের মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় পরবর্তীতে সিআইডির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এসব সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দেন।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com