বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে তার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অফিসে তার দায়িত্বে থাকা কাজকর্ম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র বুঝে নেওয়া হয়। পরে বিকেলের দিকে তাকে সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি জানিয়ে দেয় অফিস কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাম গাউস ভূমি অফিসের বিভিন্ন কাজ করে দেওয়ার কথা বলে সেবা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করতেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই কাজ না করে বছরের পর বছর ঘুরিয়ে হয়রানি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগও ছিল। তিনি সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন রাজবাড়ী আদালতে ব্যক্তিগত মামলার কাজে সময় ব্যয় করতেন। অথচ এসব দিনেও হাজিরা খাতায় তার স্বাক্ষর পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অফিস চলাকালীন সময়েও তিনি নানা অজুহাতে বাইরে অবস্থান করতেন। কখনো ইউএনও অফিসে আছেন বলে জানালেও বাস্তবে তাকে চায়ের দোকানে বসে থাকতে দেখা গেছে। পরবর্তীতে তিনি বিষয়টি স্বীকারও করেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসীর হাসান খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোলাম গাউসের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ পাওয়ার পর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলছেন, একজন সরকারি কর্মচারীর এমন অনিয়ম প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
@ekusheysangbad
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com