এ বিষয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তফির আলী বলেন, এ রকম কেস সারা দেশে হাজার হাজার আছে। সব ডিপার্টমেন্টেই আছে। আমার কাগজপত্র সব ঠিকঠাক করা আছে। অভিযোগ দিলেই চাকরি যাবে না।

তিনি বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা) আসনের সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মরহুম আব্দুল মান্নানের নাম উল্লেখ করে বলেন, ‘সারিয়াকান্দিতে মান্নান এমপি শত শত লোককে পুলিশে ঢুকিয়েছেন। তাদের একজনেরও বৈধ কাগজপত্র ছিল না। পরে সব কাগজপত্র তৈরি করা হয়েছে। টাকা হলে সবই হয় ভাই।’

তফির আলী নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা নবীর উদ্দিন আকন্দের নাতি প্রমাণ করতে তার মা হাসিমন বেগমের এনআইডি পরিবর্তনের জন্য আবারও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন।

নবীর উদ্দিনই তার নানা এটা প্রমাণ করতে তফির আলী তার মা হাসিমন বেগমের জন্ম নিবন্ধনের একটা হার্ড কপি দেখান, যেখানে হাসিমন বেগমের পিতা হাতেম আলীর পরিবর্তে নবীর উদ্দিন আকন্দের নাম দেওয়া হয়েছে। জন্মনিবন্ধনটি প্রস্তুত করা হয়েছে এ বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি।

এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা নবীর উদ্দিন আকন্দ বলেন, হাসিমন বিবি নামে তার কোনো মেয়ে নেই। শুধু তাই নয়, তফির আলী নামে কোনো নাতিও নেই তার। তিনি তফির আলী নামের কাউকে তার মুক্তিযোদ্ধা সনদও দেননি।

এ ব্যাপারে কাহালু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, তফির আলির ব্যাপারে এমন অভিযোগ শুনেছি। আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে অবগত আছেন। তারা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করছেন। অপরাধ প্রমাণিত হলে সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

© বার্তা বাজার