
|
ঘুষেরটাকা না দেয়ায় এক ঠিকাদারের বিল আটকে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সাইফুল ইসলামনামে এক ঠিকাদার এ অভিযোগ করেছেন। এঘটনায় সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষেরকাছে পিআইও এস এম দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম অভিযোগে উল্লেখ করেন, ত্রাণ ও দুর্যোগমন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নেরকালিকাপুর মাদ্রাসা সংলগ্ন রাস্তার ওপর ৩৬ ফুট দীর্ঘ একটি কালভার্টনির্মানের কাজ পান তিনি। কাজটির চুক্তিমূল্য ছিল ৩০ লাখ,৭৯ হাজার লাখটাকা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করার সময়সীমাদিয়ে ২০১৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়।প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজটি সম্পন্ন করে ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম গত ৮ জুনগলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে চূড়ান্ত বিলের জন্য আবেদন করেন।ওই দিনই পিআইও দেলোয়ার হোসেন ঠিকাদার সাইফুল ইসলামের বাবা আব্দুস সালামকেতার রুমে ডেকে নিয়ে চূড়ান্ত বিলের জন্য ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন।দাবিকৃত এ টাকা না দেয়ায় তার চূড়ান্ত বিল অনুমোদনের জন্য ঢাকায় ত্রান ওদুর্যোগ অধিদপ্তরে পাঠাননি পিআইও। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অপর এক ঠিকাদার বলেন, তিনি ওই উপজেলায় অনুরুপএকটি কালভার্টের কাজ পান এবং তার কাজও যথা নিয়মে সম্পন্ন করা হয়েছে।চূড়ান্ত বিলের জন্য তার কাছেও ৪ লাখ টাকা দাবি করেন পিআইও। ওই টাকা নাদেয়ায় কাজ সম্পন্ন করা সত্ত্বে¡ও তার বিলও ঢাকায় পাঠানো হয়নি। অভিযুক্ত পিআইও এস এম দেলোয়ার হোসেন জানান, ’ঠিকাদারের কাছে ঘুষ দাবিরঅভিযোগ সঠিক নয়। তার বিল আগামি মাসে ঢাকায় পাঠানো হবে এবং অনুমোদন পাওয়াসাপেক্ষে তিনি চূড়ান্ত বিল পাবেন।’ এ ব্যাপারে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,’এই উপজেলায় এরকম ১৪ টি কালভার্ট নির্মান করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত অর্থ নাথাকায় আমরা গত সপ্তাহে ৯ টির চূড়ান্ত বিল অনুমোদনের জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছি।বাকি কাজ গুলোর বিল আগামি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকায় পাঠানা হবে। ঘুষদাবির বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখাহবে বলে জানান তিনি।’ @shikshatotthow
|
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com