প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ২৮, ২০২৬, ৮:২৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ৬, ২০২৫, ১২:৩০ অপরাহ্ণ
তদন্তে দোষী সাব্যস্ত, তবুও পদে বহাল পাঁচ কর্মকর্তা
রাজশাহী অঞ্চলে এমপিওভুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম, তথ্য জালিয়াতি, ঘুস লেনদেন এবং বিধিবহির্ভূত অনুমোদনের অভিযোগ তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। গত ১৪ অক্টোবর প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
তদন্তে পরিচালক (কলেজ) বিশ্বজিৎ ব্যানার্জি, সহকারী পরিচালক মো. আলমাছ উদ্দিন এবং সেসিপ প্রকল্পের তিন কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র প্রামানিক, আসমত আলী ও রাশেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ দালিলিকভাবে প্রমাণিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রগতিশীল নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি আইনজীবী এনামুল হক, তোরাব আলী পারভেজ, কাওসার আলী এবং জাতীয়তাবাদী কলেজ শিক্ষক সমিতির পক্ষে এরশাদ হোসেন ও রুহুল আমিনের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষের দপ্তরে অনুষ্ঠিত তদন্তে অভিযোগকারী, অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক পরিচালকের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ ও নথিপত্র বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়।
তদন্ত দলের প্রধান ছিলেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক যহুর আলী। কমিটিতে আরও ছিলেন মাউশির উপপরিচালক শহিদুল ইসলাম এবং সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিউল বশর।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com
© Copyright 2025 - acmbangladesh.com