দুদকের বিশেষ পিপি আরও জানান, আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছেন যে, দুদক লকারগুলো খোলার আগে সেখান থেকে কোনো অর্থ বা সম্পদ যাতে কেউ স্থানান্তর করতে না পারে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা ভল্টে কর্মকর্তাদের অর্থসম্পদ জমা রাখার তিন শতাধিক লকার খুলতে অভিযান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের লকার খুলতে দুদক পরিচালক সায়েমুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি দল সেখানে গেছে।
জানা গেছে, ঢাকা জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লকার খোলা হবে। একই সঙ্গে রক্ষিত অর্থসম্পদ বা নথিপত্রের তালিকা করা হবে। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বা আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ কোনো সম্পদ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে পরবর্তী সময় তদন্ত করা হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এসব লকারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান মিলিয়ে ৩০০ কর্মকর্তার অর্থসম্পদ এবং অন্য মূল্যবান নথিপত্র সেফ ডিপোজিট আকারে রেখেছেন বলে তথ্য পেয়েছে দুদক। এর মধ্যে কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার নামেও লকার রয়েছে।
এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা ভল্টে কর্মকর্তাদের অর্থসম্পদ জমা রাখার ব্যক্তিগত সব লকার সাময়িকভাবে ফ্রিজ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গভর্নরকে চিঠি দেয় দুদক।
দুদকের পরিচালক কাজী সাইমুজ্জামানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ অনুমতি দেন।
দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর ৫ ফেব্রুয়ারি সংবাদমাধ্যমকে জানান, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লকারগুলো খোলা হবে। সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা বা দুর্নীতির মামলা করা হবে।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com