এই প্রকল্পে ওয়াশ ব্লক, ওয়াটার রিজার্ভার, গভীর নলকূপ, পাম্প মোটর, আরসিসি রোড, সাইট ডেভেলপমেন্ট, বেঞ্চ ও ছাতার নির্মাণ খরচে এবং বরাদ্দের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।
তদন্ত কমিটি জানায়, প্রকল্প ব্যয়ের কাগজে-কলমে হিসাব দেখানো হয়েছে ৬৯ লাখ টাকা। তবে বাকি অর্থের (২১ লাখ টাকা) সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, গত ২৬ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক গণশুনানিতে এই অভিযোগ ওঠে। এরপর জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মুকুল কুমার মৈত্রকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
