কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (কুমেক) ২৪ কোটি টাকার কেনা-কাটায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইনজেকশনের দাম অস্বাভাবিক বেশি দেখিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপিপন্থি চিকিৎসক সংগঠন ড্যাবের নেতাদের। একইসঙ্গে চিকিৎসা সেবার এই প্রতিষ্ঠানে টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমেও গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট।
অনুসন্ধানে জানা যায়, বাজারে ১০১ টাকা মূল্যের ইনজেকশন ‘থায়োপেনটাল সোডিয়াম’ সরকারি নথিতে দেখানো হয়েছে ১ হাজার ২৯৯ টাকা। শুধু এই একটি আইটেমে লোপাট হয়েছে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ৯ লাখ এরোভাসটাটিন ২০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট কেনা হয়েছে।
যা শেষ করতে সময় লাগবে অন্তত ২০ বছর। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ডাক্তার মাসুদ পারভেজ সোহাগের স্বাক্ষরিত এক চাহিদাপত্রে এর সত্যতা পাওয়া গেছে।
তবে এসময় সভায় উপস্থিত ডা. এম এম হাসান মাসুদ অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিবাদ জানান। এরপর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হলে গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে ড্যাবের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জহিরুল ইসলাম (শাকিল) স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে ড্যাবের কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও মেডিকেল কলেজ শাখা কমিটির সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। একইসঙ্গে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com