আমানতকারীরা ব্যাংক মনে করে তুলে দিচ্ছেন সঞ্চিত অর্থ। অথচ অনুমোদিত ব্যাংক না হলেও দিব্যি চলছে ব্যাংকিং কার্যক্রম। ব্যাংক শব্দ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বত্তেও সারাদেশে অবৈধ শাখা খুলে উচ্চসুদের লোভ দেখিয়ে সংগ্রহ করেছে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। এসব অর্থ নিয়মিত বিদেশি পাঁচার করা হচ্ছে-এমন অভিযোগে আদালতেও দায়ের হয়েছে রিট। ডিএমসি ব্যাংক নিয়ে সানি আহম্মেদের ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের আজ পড়ুন প্রথম পর্ব। বিজ্ঞাপন রেহেনা বেগম ও হাবিবুর রহমান, নিয়মিত করছেন আর্থিক লেনদেন। কেউ প্রতিমাসে জমাচ্ছেন সঞ্চিত অর্থ, কেউ নিচ্ছেন ঋণ। অথচ তাদের মতো অন্যান্য আমানতকারীরাও জানেন এটি ডিএমসি ব্যাংক। দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিং ব্যাংক লিমিটেড সংক্ষেপে ডিএমসি ব্যাংক হিসেবে পরিচিত। সমবায় অধিদপ্তরের অধীনে নিবন্ধিত হয়ে চালাচ্ছে কার্যক্রম। নিচ্ছে ডিপোজিট, দিচ্ছে ঋণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন অনুমোদন না নিয়ে ব্যাংক না হয়েও ব্যাংকের মূল কার্যক্রম আমানত গ্রহণ ও ঋণ প্রদানের কাজটি চালিয়ে বছরে মুনাফা কোটি কোটি টাকা। অথচ ব্যাংক শব্দ ব্যবহারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বারংবার নিষেধ থাকা স্বত্ত্বেও তারা সংস্থাটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চালাচ্ছে ব্যবসা। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান নাগরিককে জানান, তারা ব্যাংক শব্দ ব্যবহার করে কখনোই ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে না। এ ব্যাপারে সমবায় অধিদপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীকেও অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া জনগনকে সতর্ক করার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে বলে জানান মুখপাত্র।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com