তেল চুরি, অপচয় ও পাইপলাইন থেকে আসা তেল গায়েব, ট্যাংকলরির সক্ষমতা জালিয়াতিসহ নানা ঘটনায় এক বছর ধরে বিতর্কের মধ্যে আছে যমুনা অয়েল কোম্পানি। এসব ঘটনায় গঠিত একাধিক তদন্ত কমিটি কাজ করছে। একাধিক অভিযানও চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), চলছে তদন্ত। এর মধ্যেই বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) একই দায়িত্বে রাখতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই তেল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। এর কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, তিনি ‘অনুপম চরিত্রের অধিকারী’।
যমুনা অয়েলের বর্তমান এমডি মুস্তফা কুদরুত–ই–ইলাহীর চাকরি শেষে ৩০ নভেম্বর অবসরে যাওয়ার কথা। কিন্তু তাঁকে আরও এক বছর এই পদে রেখে দিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সুপারিশ করে চিঠি পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনে (বিপিসি)।
দেশে জ্বালানি তেল আমদানি, উৎপাদন ও সরবরাহের একমাত্র রাষ্ট্রীয় সংস্থা হলো বিপিসি। এর অধীনে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নামের তিনটি তেল কোম্পানি পরিবেশকদের মাধ্যমে বাজারে তেল বিক্রি করে। যমুনা তেল কোম্পানির বোর্ড চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিটি বিপিসির কাছে আসে ১৮ নভেম্বর। পরদিন এটি জ্বালানি বিভাগে পাঠানো হয়।
এমডি পদে কুদরুত–ই–ইলাহীকে রেখে দিতে যমুনা অয়েল কোম্পানির বোর্ড থেকে চিঠি পেয়েছেন জানিয়ে বিপিসির চেয়ারম্যান আমিন উল আহসান প্রথম আলোকে বলেন, এটা এখন সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com