
সোমবার সকাল দশটা। ঈদের আগে ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক যাত্রীবাহী বাস। তবে টার্মিনাল থেকে বের হওয়ার আগে দূর পাল্লার বাসগুলোর প্রতিটিকে চাঁদা হিসেবে গুনতে হচ্ছে ৫২০ টাকা।
"এডিরে কয় জিপি (গেট পাস বা ছাড়পত্র)। জিপি না দিলে গাড়িই বাইরাতে পারবো না। যাত্রী থাউক, না থাউক, জিপি আমাগো দেওনই লাগে," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন ময়মনসিংহগামী বাসের একজন চালক।
ঘটনাটি যখন ঘটছিলো, তখন সেখানেই উপস্থিত ছিলো বিবিসি বাংলা। যিনি চাঁদার টাকা তুলছিলেন, কথা হয় তার সঙ্গেও।
কেন এবং কার নির্দেশে চাঁদা তুলছেন? প্রশ্ন ছিল চাঁদা আদায়কারী ব্যক্তির কাছে।
"এইডাই এখানকার সিস্টেম। গাড়ি ছাড়ার আগে এই টাকা দিতে হয়। মালিক সমিতির নির্দেশেই এইডা তোলা হয়," বিবিসি বাংলাকে বলেন চাঁদা আদায়কারী ব্যক্তি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাঁচই অগাস্টের পটপরিবর্তনের পর লোক বদলালেও চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি বাংলাদেশের পরিবহনখাতে।
মালিক ও শ্রমিকদের বিভিন্ন সংগঠন, রাজনৈতিক দলের নেতা এবং স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে সারা দেশে এখনও প্রতিদিন আদায় করা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
এর মধ্যে কেবল ঢাকা শহরেই বিভিন্ন টার্মিনাল ও স্ট্যান্ড থেকে দৈনিক গড়ে দুই কোটি টাকার ওপরে চাঁদাবাজি হচ্ছে বলে জানতে পেরেছে বিবিসি।
Anti Corruption Movement (ACM)
House: 89 (5th fl), Road -3, Block-F, Banani, Dhaka – 1213, Bangladesh.
www.acmbangladesh.com
emailtoacm@gmail.com